মিডনাইট ইন ঢাকা

166

নবাব মুর্শিদ কুলী খাঁর দত্তক ছেলে ছিলেন আগা বাকের। তৎকালীন রাজধানী মুর্শিদাবাদের শিল্পী খনি বেগম এবং আগা বাকের পরস্পরের প্রেমে পড়েন।

অপরদিকে উজিরপুত্র নগর কোতোয়াল জয়নাল খানও খনি বেগমকে প্রেম নিবেদন করেন এবং প্রত্যাখ্যাত হন। প্রত্যাখ্যাত হবার পর জয়নাল খনি বেগমের ক্ষতির চেষ্টা করে। খবর পেয়ে আগা বাকের সেখানে যান ও তলোয়ারবাজিতে জয়নালকে হারিয়ে দেন।

অন্যদিকে জয়নালের দুই বন্ধু উজিরকে মিথ্যা খবর দেয় যে, বাকের জয়নালকে হত্যা করে তার লাশ গুম করেছে। স্বাভাবতই উজির তার ছেলের হত্যার বিচার চায়। এতে শাস্তিস্বরূপ নবাব মুর্শিদ কুলী খাঁ পুত্র বাকেরকে বাঘের খাঁচায় নিক্ষেপ করার নির্দেশ দেন। কিন্তু বাকেরের হাতে মারা যায় বাঘ।

ইতিমধ্যে জয়নালের মৃত্যুর খবর যে মিথ্যা তা ফাঁস হয়ে যায় ও সে জোরপূর্বক খনি বেগমকে ধরে নিয়ে যায় দক্ষিণ বঙ্গে। বাকের ছুটে যান খনি বেগমকে উদ্ধার করতে আর তার পিছু নেন উজির জাহান্দার খান। উজির ছেলে জয়নাল খান বাকেরকে হত্যার চেষ্টা করলে উজির নিজেই তার ছেলেকে হত্যা করেন তলোয়ারের আঘাতে।

এই অবস্থায় জয়নাল খনি বেগমকে তলোয়ারের আঘাতে হত্যা করেন। বাকেরগঞ্জে সমাধিস্থ করা হয় খনি বেগমকে। আর বাকের সবকিছু ত্যাগ করে রয়ে যান প্রিয়তমার সমাধির কাছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে