রিজার্ভের পরিমাণ ৩৯.৪০ বিলিয়ন ডলার, রেকর্ড

52

১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দিনের শুরুতে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৯.৪০ বিলিয়ন ডলার, যা অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি। কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যেই প্রবাসীরা ভালো আয় পাঠাচ্ছেন, তাই এ রেকর্ড করলো বাংলাদেশ।

জুলাই ও আগস্ট মাসে দেশে মোট ৪৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ডলারের আয় এসেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি। জুলাইয়ে ২৬০ কোটি ডলার রেমিটেন্স আসে। দেশের ইতিহাসে এর আগে এক মাসে এতো বেশি রেমিটেন্স আসেনি।

অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ২৬০ কোটি ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনোই এক মাসে এতো বেশি রেমিটেন্স পাওয়া যায়নি। এর আগে এক মাসে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স পাওয়া গিয়েছিল গত জুনে, ১৮৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

ব্যাংকাররা বলছেন, অনেক দেশে করোনার কারণে বিশেষ ভাতা পেয়েছেন প্রবাসীরা। সেসব অর্থ দেশে আসছে। অনেকে জমানো টাকা দেশে পাঠাতে শুরু করেছেন। করোনার কারণে যেসব প্রবাসী দেশে ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন, তারা সঞ্চয় দেশে আনছেন। রেমিটেন্স প্রবাহ অব্যাহত রাখতে গত অর্থবছরে ২% হারে প্রণোদনা ঘোষণা করেছিল সরকার।

প্রবাসী আয়, রপ্তানি আয়, বিদেশি ঋণ ও সহায়তার কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গতকাল মঙ্গলবার দিন শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৯১৫ কোটি ডলারে।

করোনাভাইরাস মহামারীতে রেমিটেন্স প্রবাহ কমে গিয়েছিল। কিন্তু এপ্রিল থেকে পরিস্থিতি পালটে যায়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে