পারমাণবিক শক্তি খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা শুরু করতে সম্মত ঢাকা ও বুদাপেস্ট

31

পারমাণবিক শক্তি খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা শুরু করতে সম্মত হয়েছে ঢাকা ও বুদাপেস্ট। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বাংলাদেশ ও হাঙ্গেরির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন সফররত হাঙ্গেরিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রী পিটার সিজ্জার্তোর সঙ্গে যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে এই খবর প্রকাশিত হয়। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে আগামী জানুয়ারির মধ্যে হাঙ্গেরি বাংলাদেশে কনস্যুলেট অফিস খোলার কথা ঘোষণা করেছে।

বৈঠকের পর বাংলাদেশ ও হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজ নিজ দেশের পক্ষে কূটনীতিকদের জন্য পারমাণবিক শক্তি সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণের বিষয়ে দুটি দলিলে স্বাক্ষর করেন। সিজ্জার্তো সংবাদ মাধ্যমকে জানান, বাংলাদেশের পারমাণবিক প্রকৌশলী এবং পারমাণবিক বিশেষজ্ঞদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের বিষয়ে ব্যাপক সহযোগিতার বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছে।

হাঙ্গেরির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পিটার সিজ্জার্তো বলেন, বাংলাদেশে হাঙ্গেরীর স্থায়ী মিশন না থাকায় আগামী জানুয়ারির মধ্যে তার সরকার ঢাকায় একটি কনস্যুলেট অফিস খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, এখানকার কনস্যুলেট অফিসটি হাঙ্গেরীর নয়াদিল্লী মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে সম্প্রসারণ করবে। কারণ এখন আরও বেশি হাঙ্গেরীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের বাজারে আবির্ভূত হচ্ছে এবং অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হাঙ্গেরিতে পড়াশোনা করতে পারে।

হাঙ্গেরি বর্তমানে রাশিয়ান রোসাটমের মাধ্যমে দ্বিতীয় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করছে। ড. এ কে আবদুল মোমেন জানান, রাশিয়ার ওই একই কোম্পানি বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি করছে। হাঙ্গেরি পারমাণবিক শক্তির ওপর ৪০ বছর ধরে দক্ষ। তাই প্রতি বছর প্রায় ৩০ জন ছাত্রকে পারমাণবিক গবেষণার জন্য হাঙ্গেরিতে পাঠানোর কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন। সিজ্জার্তো একই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, পারমাণবিক প্রকৌশলীদের প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে ঢাকা ও বুদাপেস্টের মধ্যে সহযোগিতার এটাই সুযোগ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে