‘বাজারে পেঁয়াজের কোনো সংকট নেই’

বাজারে পেঁয়াজের কোনো সংকট নেই জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, দেশে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ মজুদ আছে। তাই, ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করায় আতংকিত হয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পেঁয়াজ কিনে মজুত না করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। বুধবার সচিবালয়ে পেঁয়াজের মজুত, সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রেস কনফারেন্সে তিনি এই আহ্বান জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে বর্তমানে প্রায় ৬ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ মজুত আছে। বেসরকারি আমদানিকারকদের পাশাপাশি ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ বিকল্প উৎস থেকে আমদানি করা হচ্ছে। তাই, পেঁয়াজ নিয়ে আতংকিত হওয়ার কিছু নেই।’ টিসিবি খোলাবাজারে ৩০ টাকা মূল্যে আগামী মার্চ পর্যন্ত সারাদেশে পেঁয়াজ বিক্রি করবে বলে জানান তিনি। ভারত থেকে এলসি হওয়া বা ক্রয়কৃত পেঁয়াজ সীমান্ত পার হবার অপেক্ষায় আছে জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, তুরষ্ক ও মিসর থেকে ইতোমধ্যে পেঁয়াজ আমদানির সব প্রস্তুতি নেয়া হয়ে গেছে। তাই দেশের বাজারে পেঁয়াজের কোনোধরণের সংকট তৈরি হবে না, বলেন তিনি। বিকল্প আমদানি উৎস তুরস্ক ও মিসর থেকে পেঁয়াজ আসতে কিছুদিন সময় লাগার বিষয়টিও উল্লেখ করে আগামী এক মাস পেঁয়াজ ব্যবহারে কিছুটা সাশ্রয়ী হওয়ার কথা মনে করিয়ে দেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

টিপু মুনশি আরও বলেন, টিসিবির পাশাপাশি এবার ই-কমার্সের মাধ্যমে পেঁয়াজ বিক্রির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পেঁয়াজের মূল্য যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ও জেলা প্রশাসনের বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ভারত থেকে ২১ টাকায় পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে, কিন্তু তুরস্ক ও মিসর থেকে আমদানি খরচ পড়ে ৪৩ টাকা। তাই ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির প্রতি আমদানিকারকদের আগ্রহ বেশি, বলেন তিনি।

সোমবার থেকে ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয়।

আপনার মতামত জানান

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন