পার্লামেন্টের পথে জেসিন্ডার দল

নিউজিল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন। তার দল ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ ন্যাশনাল পার্টির পাওয়া ভোটের প্রায় দ্বিগুণ বেশি ভোট পেয়েছে। ক্রাইস্টচার্চ হামলার পরবর্তী পরিস্থিতি এবং করোনাভাইরাস মহামারী মোকাবেলাসহ বিভিন্ন সংকটে নেতৃত্বের জন্য জেসিন্ডা আরডার্ন বিশ্বজুড়ে আলোচিত।

নিউজিল্যান্ডের শাসনক্ষমতা নেয়ার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর জোট গঠন করতে হয়। তবে এবার আরডার্ন ও লেবার পার্টি জোট গঠন না করেই একক সরকার গঠনের মাধ্যমে শাসনক্ষমতায় বসতে চলেছে। নিউজিল্যান্ডের এখনকার নির্বাচনী ব্যবস্থামিশ্র সদস্য আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (এমএমপি) ব্যবস্থায় কোনো দলের পক্ষে সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন সহজ না। কিন্তু জেসিন্ডা আরডার্নের দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে। বিভিন্ন জরিপেও তিনি এগিয়ে ছিলেন।

২৪ বছর আগে নিউজিল্যান্ডে এমএমপি চালুর পর কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। এমএমপি ব্যবস্থায় ভোটারদের একটি ভোট দিতে হয় পছন্দের দলকে, আরেকটি ভোট নির্বাচনী আসনের পছন্দের প্রার্থীকে দিতে হয়।পার্লামেন্টে যেতে হলে কোনো দলকে কোনো নির্বাচনী আসনে জিততে হবে, অথবা ৫%এর বেশি ভোট পেতে হবে।

আপনার মতামত জানান

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন